ফেসবুকে অভিনব কায়দায় শতাধিক তরুণীর ভয়ংকর সর্বনাশ

0 ১৭৯

সাতনদী অনলাইন ডেস্ক: ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতাধিক। তারা সবাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু প্রার্থী। তাদের প্রত্যেকের অভিযোগ প্রায় একই। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেয়া ও পরীক্ষার ফল পরিবর্তন করে দেয়ার লোভ
দেখানো হয়েছে। আদতে কোনো প্রশ্নপত্র বা ফল পরিবর্তন করে দেয়া হয়নি। বরং সেই সুযোগে ফেসবুক মেসেঞ্জারে চ্যাটিং করা হয়। কৌশলে মোবাইল নম্বর নিয়ে নানা তথ্য, পরামর্শ উপদেশ দেয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা হয়।
বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে প্রেমের ফাঁদ তৈরি করে খোলামেলাভাবে ভিডিও কলে আসার অনুরোধ জানায়। ভিডিও কল চলাকালে স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে সেই দৃশ্য ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভার্চ্যুয়াল সেক্স ও টাকা আদায় করা হতো। শতাধিক শিক্ষার্থীর সরলতা ও দুর্বলতা নিয়ে একাই এই কাজ করেছে রাফসান চৌধুরী (৩১) নামের এক প্রতারক। সম্প্রতি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এই প্রতারক গ্রেপ্তারের পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তার মোবাইল ঘেঁটে ডিবি জানতে পেরেছে ফেসবুকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তি এবং রেজাল্ট পরিবর্তন করার গ্যারান্টি দিয়ে শতাধিক মেয়ে শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। পরে তাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল সেক্স করেছে। নিজের কব্জায় নিয়েছে ওই শিক্ষার্থীদের গোপন ভিডিও ও ছবি। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা মানবিক ছবি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে টাকা আদায় করতো। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার নারী ইয়াবাসেবীদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করতো। এসব অভিযোগে ১১ই মার্চ বৃস্পতিবার খিলগাঁও শান্তিপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর রাফসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে শুক্রবার খিলগাঁও থানায় মাদক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দু’টি মামলা করেছে ডিবি। এরমধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দু’দিনের রিমান্ড চলছে তার।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, দুই মাস আগে গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের কাছে অভিযোগ আসে এক শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে। তাদের অভিযোগ ছিল সদ্য এইচএসসি পাস করা মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করানোর বিষয়ে তারা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এমন সময় ফেসবুকের একটি পেইজে মেডিকেলে ভর্তির বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে এরকম একটি বিজ্ঞাপন তারা দেখতে পান। পরে ওই পেইজের এডমিন তানভির হোসেন রচির সঙ্গে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তার মায়ের যোগাযোগ হয়। তখন তানভির হোসেন রচি তাদেরকে মেডিকেলে ভর্তির প্রশ্নপত্রসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রায়ই প্রশ্নপত্রের বিষয়ে কথা হতো রচির। কিছুদিন কথাবার্তার একপর্যায়ে দু’জনের মধ্যে সখ্য ও পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রচি ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে অন্তরঙ্গ কথা বলতো। মেসেঞ্জার থেকে তাদের কথা গড়ায় মোবাইল ফোনে। এর কিছুদিন পর রচি ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলা শুরু করে। তাকে বাধ্য করে খোলামেলাভাবে ভিডিও কলে আসতে। প্রশ্নপত্রের লোভ ও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ওই শিক্ষার্থীও রচির কথামতো ভিডিও কলে আসতে বাধ্য হয়। ধুরন্ধর রচি তখন কৌশলে স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে ভিডিও কলের সবকিছু ধারণ করে রাখে। পরে সেগুলো দিয়েই ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্ল্যাকমেইলিং শুরু করে। প্রশ্নপত্রের জন্য ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এছাড়া ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে নিয়মিত তার সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল সেক্স করতো। এক সময় ওই শিক্ষার্থী রচির প্রতারণা বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যদের সবকিছু খুলে বলে। তারপর অভিযোগ আসে ডিবিতে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী তানভির হোসাইন রচি নামের যে যুবকের সঙ্গে কথা বলতো এটি তার ভুয়া নাম ছিল। তার আসল নাম রাফসান চৌধুরী। পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার ফল পরিবর্তন ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির প্রশ্নপত্র দিয়ে গ্যারান্টি সহকারে সহযোগিতা করা হবে এমন কথা বলে অন্তত ১০টি পেইজের মাধ্যমে রাফসান প্রচারণা চালাতো। যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর দিয়ে রাখতো। এসব বিজ্ঞাপন দেখে অনেক শিক্ষার্থী নিজে আবার অনেক সময় তাদের অভিভাবকরা যোগাযোগ করতেন। বিশেষ করে কোনো মেয়ে শিক্ষার্থী বা তাদের মা যোগাযোগ করলে রাফসান তাদেরকে টার্গেট করে সখ্যতা গড়ে তুলতো। পরিকল্পনা করেই মেয়ে শিক্ষার্থীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলতো। কিন্তু সে তার আসল পরিচয় কখনই দিতো না। এমনকি তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ও ফেসবুক থেকে কারো সঙ্গে কথা বলতো না। ডিবির তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তানভির হোসাইন রচি ও রচি হোসাইন তানভির নামের দু’টি আইডি ও দু’টি মোবাইল নম্বরের সন্ধান করতে গিয়ে রাফসান চৌধুরীর সন্ধান পান। মূলত রাফসান চৌধুরী ভুয়া নাম তানভির হোসাইন রচি ও রচি হোসাইন তানভির ব্যবহার করে প্রতারণা করছিল। তদন্তে রাফসানের কাছে ২৭টি সিম পাওয়া গেছে। এসব সিম সে অন্তত ১৫টি মোবাইলে ব্যবহার করেছে। এই ২৭টি সিমের অধিকাংশই অন্যের নামে। ধরা পড়ার ভয়ে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া ভোটার আইডি কার্ড, অথবা বাসার কাজের বুয়াদের আইডি দিয়ে সিম কিনতো। এছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে কম দামে মোবাইল কিনে চালাতো। তার কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং নগদের তিনটি অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এসব অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। রাফসান চৌধুরী ডিবিকে জানিয়েছে, ৫-৬ লাখ টাকা এ পর্যন্ত সে হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু লেনদেনটা আরো বড় অঙ্কের হবে বলে মনে করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
ডিবি সূত্র জানায়, রাফসান চৌধুরীর জন্ম চাঁদপুর সদরে। তবে বেড়ে উঠেছে ঢাকার খিলগাঁও এলাকায়। ছোটবেলা থেকে বেপরোয়া কিসিমের জীবনযাপন করতো। ২০০৯ সালে এসএসসি ফেল করার পর থেকে বেপরোয়া জীবনযাপনের জন্য পরিবার থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন ছিল। ২০১৬ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরেকবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। ২০১৮ সালের তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি মামলায় ৭ মাস জেলে ছিল। এর আগে ২০১৬ সালে সবুজবাগ থানার একটি মামলায় আর এক বছর জেল খেটেছে। রাফসান চৌধুরী ইয়াবা আসক্ত। এই আসক্তি থেকেই সে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। খিলগাঁও, সবুজবাগ, শাহাজানপুরসহ আশেপাশের এলাকার নারীদের কাছে ইয়াবা বিক্রি করতো। নারীরা সহজেই বাইরে থেকে ইয়াবা কিনতে পারতো না। তাই সে নিজেই বেশি টাকার বিনিময়ে বাসায়-বাসায় ইয়াবা পৌঁছে দিতো। গ্রেপ্তারের সময় রাফসানের কাছে ৪০০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। রাফসান ডিবিকে জানিয়েছে, ইয়াবা আসক্তি থেকে তার ইয়াবা ব্যবসার প্রতি আগ্রহ আসে। আর নিয়মিত ইয়াবা সেবনের জন্য তার সব সময় যৌন আকাঙ্ক্ষা থাকতো। যৌন আকাঙ্ক্ষা মেটাতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে সে এমন করতো। ওই শিক্ষার্থীরা ভিডিও কলে আসার পরে বস্ত্রহীন করাতো। এসব দৃশ্যের স্ক্রিন শর্ট রাখতো। আবার স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে ভিডিও করতো। যখন ইয়াবার নেশায় ধরতো এবং তার কাছে টাকা থাকতো না তখনই রাফসান এসব ভিডিও ও ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা চাইতো। আবার প্রশ্নপত্র দিবে বলে অগ্রিম টাকা নিতো। এছাড়া রাফসান বিভিন্ন মাধ্যম থেকে মানবিক সহযোগিতা চাইছে এমন লেখা বা মানবিক ছবি সংগ্রহ করে রাখতো। এসব ছবি ও লেখা বিশিষ্ট ব্যক্তি বা বিভিন্ন শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের কাছে পাঠিয়ে টাকা নিতো।
রাফসান যেসব পেইজ থেকে প্রতারণা করতো সেগুলো হলো- এইচএসসি রেজাল্ট চেইঞ্জ হেল্প লাইন বিডি, দিনাজপুর এডুকেশন বোর্ড রেজাল্ট হেল্প হান্ডেড পার্সেন্ট, এসএসসি-এইচএসসি এডুকেশন বোর্ড রেজাল্ট চেইঞ্জ হেল্প, পিএসসি-জেএসসি-এসএসসি, এইচএসসি, মেডিকেল-ডেন্টাল এডমিশন টেস্ট কুয়েকশন রেজাল্ট হেল্প, এইচএসসি এডুকেশন বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট হেল্প লাইন, দিনাজপুর রেজাল্ট হেল্প এডুকেশন বোর্ড হান্ডেড পার্সেন্ট, দিনাজপুর এডুকেশন বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট হেল্প, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস, এইচএসসি এডুকেশন বোর্ড চ্যালেঞ্জ রেজাল্ট হেল্প লাইন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল এডমিশন টেস্ট কুয়েকশন হেল্প লাইন। এছাড়া সে বিভিন্ন নামে বেশ কয়েকটি গ্রুপেরও এডমিন। প্রতিটা গ্রুপ ও পেইজে সর্বোচ্চ ২০ হাজার পর্যন্ত সদস্য আছেন। এসব পেইজে এডমিন হিসেবে নাম লেখা থাকতো রচি হোসাইন তানভির বা তানভির হোসাইন রচি। বিজ্ঞাপন হিসেবে লেখা থাকতো- ‘স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল, চাকরি পরীক্ষার জন্য কোনো ধরনের সাহায্য দরকার? সরকারি যেকোনো কাজে যদি কারো সাহায্য লাগে তাহলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়া হবে। এছাড়া রেজাল্ট পরিবর্তনের বিজ্ঞাপনে লেখা থাকতো পরীক্ষার্থীরা তোমাদের যাদের পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বা পরীক্ষায় ফেল হয়েছো, তোমাদের কোনো চিন্তা নেই। আমি বিগত বছরগুলোয় রেজাল্ট পরিবর্তন করে এনে দিয়েছি। তাই যারা রেজাল্ট পরিবর্তন করতে চাও কুইক মেসেজ দাও। সময় কিন্তু আর বেশি নেই। তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করো, যাচাই করে কাজ করাবেন।’
ডিবির গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম রেজাউল হক  বলেন, রাফসান মাদকসেবী। নিয়মিত মাদক সেবনের টাকার জন্য হন্য হয়ে থাকতো। দিনে তার ২-৩টা ইয়াবা লাগতো। ইয়াবা কেনার টাকার জন্য মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। এক সময় সে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। তার মূল ক্রেতা ছিল নারীরা। যখন সে ইয়াবা সেবন করে তখন তার মধ্যে একটা যৌনাকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। সেটি মেটাতে গিয়েই ওই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল সেক্স করতো। আমরা তার মেসেঞ্জার ঘেঁটে অন্তত হাজারখানেক মেয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছে- এমন তথ্য পেয়েছি। অনেক মেয়ের সঙ্গে সে অন্তরঙ্গ ও ভিডিও কলে কথা বলেছে এমন প্রমাণ পেয়েছি। তিনি বলেন, মূলত মাদকের কুফলের কারণে রাফসান এ ধরনের প্রতারণায় যুক্ত হয়েছে। তাই মাদক থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে।
ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, অনলাইন ও অফলাইনে নানাভাবে কিছু প্রতারক তাদের পসরা সাজিয়ে বেড়ায়। দেশে এ ধরনের প্রতারণার বিস্তর বিজ্ঞাপন আছে। কোনটা প্রতারণা আর কোনটা ভালো সেটা আমাদের বোঝা উচিত। কিছু অভিভাবক আছেন যাদের সন্তানদের সি গ্রেড পাবার যোগ্যতা নেই তাদেরকে জোর করে এ প্লাস পাওয়াবেন এবং সেই রেজাল্ট দিয়ে আবার বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেলে ভর্তি করাতে চান। জাতির সঙ্গে যদি তারা এই প্রতারণা করতে চান তাহলে তাদেরও শাস্তি হওয়া উচিত। এই শাস্তি ন্যাচারেলি হয় আবার আইনগতভাবেও হয়। ন্যাচারেল শাস্তিটা হচ্ছে তাদের অজান্তেই সন্তানেরা ওইসব প্রতারকের সঙ্গে অনৈতিক ও বেফাঁস সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন যার কারণে তাদের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবন ধ্বংসের মুখে পড়ে। তিনি বলেন, ডিবি এ ধরনের প্রতারকদের ধরা জন্য সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই জনগণের সচেতনতা। আর কেউ যদি ভুক্তভোগী হয়ে যান তবে সঠিক তথ্য-উপাত্ত নিয়ে যেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা তাদের সহযোগিতা করবো।