২০৩০এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে- প্রফেসর ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি

0 ৫১
বিএমএ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে ঈদ পুর্নমিলনি ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক।

ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে হবে- ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন

আহাদুর রহমান জনি: প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৩০ এর মধ্যে সকলের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুলভ করবেন। এক শ্রেণীর মানুষ আছে যাদের চোখে দেশের উন্নয়ন চোখে পড়ে না। চিকিৎসকদের দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক। বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিকাল ৩ টায় বিএমএ সাতক্ষীরা শাখার সভাপতি ডা. মো. আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ‘ঈদ পুর্নমিলনি ও আলোচনা সভার’ উদ্বোধন করেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক। উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়ে তিনি কথাগুলো বলেন।

বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে ঈদ পুর্নমিলনির উদ্বোধন করছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক।

ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক আরো বলেন, আমার সহকর্মীরা প্রাণ দিয়ে কোভিডের কোভিডকে প্রায় শূণ্যের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে আবারো একটু বাড়ছে। নতুন নতুন ভ্যারাইটিস আসছে। তাই এখন সবাইকে সাবধান হওয়ার জন্য বলবো। চিকিৎসক সমাজের অনেক সমস্যা। আমি মেডিকেল কলেজ বহুদিন দেখিনি তাই আমি আগে এসেই মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করেছি। সাধারণ মানুষ যারা জানেন ও বুঝেন যে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৩০ এর মধ্যে সকলের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুলভ করবেন। সৌভাগ্য এটাই যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কাজ করতে পেরেছি। অনেকেই জানেননা, কিন্তু এখানে কয়েকজন আছেন যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সরাসরি কাজ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বুঝাতে পারলে তিনি দেননা এমন কোনদিন হয়নি। এক শ্রেণীর মানুষ আছে যাদের চোখে দেশের উন্নয়ন চোখে পড়ে না। তারা মেডিকেল কলেজের পাশ দিয়ে গেলে মেডিকেল কলেজ চোখে পড়েনা। তারা বাইপাস দিয়ে যান কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর করা উন্নয়ন তাদের চোখে পড়েনা। তারা পদ্মা সেতুর আশেপাশে ভ্রমন বিলাসে, যান কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন তাদের চোখে পড়েনা।
ডাক্তারদের পেশাগত অনেক সমস্যা আছে। সচিবালয়ে এসব বিষয়ে আন্তরিক নয়। তারা তাদের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট রাখতে ব্যাতিব্যস্ত। কিন্তু এই সমস্যাগুলোর বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। কিন্তু বিএমএ নেতারা জানেন প্রধানমন্ত্রীকে বুঝাতে পারলে অবশ্যই এ বিষয়ে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমাদের একত্রিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌছতে হবে। আমি মনে করি আমরা আমাদের এই সিস্টেমের পরিবর্তন না করতে পারলে আমাদের দাবী দাওয়া পূরণ হবে না। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন করতে হলে নতুন ক্যাডার সিস্টেম প্রবর্তন করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সামেক মসজিদের ইমাম হাফেজ মোশারফ হোসেন। গীতা পাঠ করেন ডাঃ সুমন কুমার দাস। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় শহীদ ডাক্তারদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করার হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। এসময় তিনি ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে বলেন, অবস্থা আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। তারপরও কর্মপরিবেশে ডাক্তারদের নিগৃহিত হওয়ার ঘটনা দুঃখজনক। করোনাকালীন পরিস্তিতিতে যখন পরমাত্মীয়রা করোনাক্রান্তদের মৃত্যুরমুখে ফেলে গিয়েছেন তখন চিকিৎসকরাই নিজেদের জীবন বিপন্ন করে তাদের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তুলেছেন। ক্যাডার বৈষম্য নিয়ে বিএমএ কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমএ সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (সা

বিএমএ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে ঈদ পুর্নমিলনি ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন বিএমএ সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগ) ডা মনোয়ার হোসেন।

র্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগ) ডা মনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে ডাঃ মনোয়ার হোসেন বলেন, করোন মহামারি পরিস্থিতিতে কতোটা সংগ্রাম আমরা করেছি তা কেবল মাত্র চিকিৎসকরা বলতে পারবে। আল্লাহর বিশেষ রহমত এই করোনা পরিস্থিতি আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। ইতোমধ্যে আমরা করোনা মোকাবেলায় পঞ্চম অবস্থানে আছি। এটা আমাদের জন্য, বাংলাদেশ সরকারের জন্য বড় একটি অর্জন। আজ আমি সেই শহীদ চিকিৎসকদের স্মরণ করতে চাই যারা করোনা মোকাবেলায় প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলাদেশে ৮০% জনগন করোনার একটি

বিএমএ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে ঈদ পুর্নমিলনি ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন বিএমএ সাতক্ষীরা জেলার সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শেখ ফয়সাল আহম্মেদ ।

জ ভ্যকসিন পেয়েছে। দুটি ডোজ পেয়েছেন ৭০%। এটাও একটা অর্জন। আমাদের দেশে মৃত্যু হার কম। আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সৎ একজন নেতা। আমাদের দেশ স্বাস্থ্যখাতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে। অসংখ্য চিকিৎসক করোনাকালীন সময়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা স্বাস্থ্যখাতে গতিশীলতা এনে দিবে। আমাদের একটা প্লান নেওয়া উচিত যে আমাদের কতজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার লাগবে। সে মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।
সাতক্ষীরায় কর্মরত চিকিৎসক, ইর্ন্টার্ন চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে সরব আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বচিপের জেলা সভাপতি ডাঃ এমএস মোখলেছুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম, বিএমএ দপ্তর সম্পাদক ডাঃ মোঃ শহীদ উল্লাহ, বিএমএ কার্যকরি পরিষদের সদস্য ডাঃ কামরুল হাসান খান, খুলনা জেলা বিএমএ ও স্বাচিপ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, বিএমএ কার্যকরি পরিষদের সদস্য ডাঃ জামাল উদ্দীন চৌধুরী, বিএমএ কার্যকরি পরিষদের সদস্য ডাঃ মোঃ জাবেদ, সামেক সহযোগী অধ্যাপক ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রদান ডাঃ কাজী আরিফ আহম্মেদ, সামেক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ কুদরত-ই-খুদা, সামেক একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডাঃ এ.এইচ.এস.এম কামরুজ্জামান, স্বাচিপের সাবেক সাধারন সম্পাদক ডাঃ শংকর প্রসাদ বিশ্বাস, সাতক্ষীরা বিএমএ’র যুগ্ম সম্পাদক ডাঃ শামসুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শেখ ফয়সাল আহম্মেদ, সামেক ছাত্রলীগের সভাপতি ডাঃ আজমল হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএমএ সাতক্ষীরা’র সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ মোঃ রাশিদুজ্জামান ও সামেক রেডিওলজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডাঃ সুতপা চ্যাটার্জি।


error: Content is protected !!