কারামুক্ত হয়ে যা বললেন নায়িকা মাহি

কর্তৃক Abdullah Al Mahfuj
০ কমেন্ট 40 ভিউস

বিনোদন ডেস্ক:
সকালে গ্রেফতার এবং দুপুরে কারগারে পাঠানোর পর বিকেলে মেলে জামিন আদেশ। এরপর রাতে মুক্তি মেলে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। মাহিকে নিয়ে

রাতে গাজীপুর কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন নায়িকা।

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে মাহি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন নয়, আমার অভিযোগ ছিল ব্যক্তি বিশেষের ওপর। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই দেশে ফিরে এসেছি।’

এদিকে গাজীপুর জেলা কারাগারের সুপার মো. আনোয়ারুল করিম বলেন, ‘আমরা জামিনের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে কারাফটকে এনেছি। পরে ৭টা ৫০ মিনিটে তার স্বজনরা এলে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।’

এর আগে বিকেলে জমি দখল ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় কারাগারে পাঠানোর সাড়ে তিন ঘণ্টা পর চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে জামিন দেন আদালত। গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন জামিন আদেশ দেন।

প্রেগনেন্সি ও সেলিব্রেটি বিবেচনায় আদালত এ আদেশ দেন বলে জানান মাহির আইনজীবী আনোয়ার শাহাদাত সরকার।

তিনি বলেন, তার মক্কেল আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই মামলা হওয়ার পরও দেশে চলে এসেছেন।

এর আগে দুপুরে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে মাহিকে গাজীপুর জেলা কারাগারে নেয়া হয়।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে জিএমপির সদস্যরা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে মাহিকে গ্রেফতার করেন। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মাহিয়া মাহি সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে ওমরাহ পালন করতে যাওয়া মাহি সৌদি আরবের মক্কা শহর থেকে শুক্রবার (১৭ মার্চ) ভোরে ফেসবুক লাইভে আসেন। লাইভে স্বামী রকিব সরকারের গাড়ির শোরুম ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ করেন।

মাহি দাবি করেন, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পূর্ব পাশে ‘সনিরাজ কার প্যালেস’ নামে তার স্বামীর একটি গাড়ির শোরুম রয়েছে। সেই শোরুমে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীরা তার শোরুমের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা শোরুমের বিভিন্ন আসবাব, দরজা-জানালার কাঁচ, টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করেছে। শোরুমের সাইনবোর্ডও খুলে ফেলেছে। দুর্বৃত্তরা তার অফিসকক্ষ তছনছ করে টাকাপয়সা লুট করে নিয়ে গেছে।

ইসমাইল হোসেন ওরফে লাদেন ও মামুন সরকারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন মাহি।

এর আগে ফেসবুকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ’ নেয়ার অভিযোগ তোলেন মাহি। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে মাহিয়া মাহি ও রকিব সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে বাসন থানার এসআই রোকন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এছাড়া জমি দখলের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে আরও একটি মামলা করেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন।

রিলেটেড পোস্ট

মতামত দিন

error: Content is protected !!